সীমাব্যানার্জ্জী-রায়
আজরামধনু রঙের আকাশ। যেতে হবেফ্রিস্কো,টেক্সাসএর উইন্ডসঙ ড্রাইভে ববির বাড়ি।বাড়ি থেকে প্রায় ৬০ মাইল। আমার মত কুঁড়ের নড়ে বসা তো-বেশ রেফারি হারা খেলা।দোলপূর্ণিমার নারায়ণ পুজো। নারায়ন পুজোয় না করতে নেই।ড্রেস কোডঃ মেয়েদের গোলাপী।ছেলেদের,আর বাচ্চাদের?ওরেবাব্বা:! যা খাপ্পা সব মেজাজ। হলুদ অথবা সাদা পাঞ্জাবী।ঠাকুরেরজন্য ফল মিষ্টি নিয়ে গাড়ির স্টীয়ারিং এ হাত রাখলাম। চুয়াল্লিশ মিনিটের পথ। যাচ্ছি তো যাচ্ছি-শোঁশোঁ গাড়িদের সাথে পাল্লা দিয়েআমিও শোঁ শোঁ। ওমাঃনিজেকে নিজেই বললাম-বাঃবেশ চালাচ্ছি তো আমি। চালাইএত দূর-কিন্তুকরোনা কালের পর এই প্রথম এতদূর গাড়ি চালালাম। শুরুকরে দিলাম,“ আমিযা করছি সবই তোমার কাজ/তোমায়মাগো বলতে নেই লাজ।” আহা!কিমসৃণভাবে গাড়ি চলেছে। হেলদোলকরতে করতে করতে হোলিদোল-এযাচ্ছি।পৌঁছেগেলাম নির্দ্দিষ্ট সময়েরএকটু পরে-তাহোক গে-পৌঁছেতো গেছি। প্রবেশপথে মা লক্ষ্মীর চালের গুঁড়োর চরণের মাঝখানদিয়ে এইবার বাড়ির ভিতরে গেলাম।নিখূঁতপুজোর আয়োজন করেছে ববি। রোদেরআলো জানলা বেয়ে আলিঙ্গন করছে ব্যক্তিকে নয়,ব্যক্তিসমষ্টি-কে...পুজোশেষে বাঙালির বিখ্যাত নিরামিষভুরিভোজ। পরিতৃপ্ত হলে শুরুহল আবীর বৃষ্টি। গত দুবছরেরদুঃখের সন্ধান ছুটে গেল আনন্দের সন্ধানে। রাঙাহাসির দোলহোলিপরিদৃশ্যমান । তখন জানলায়উঁকি মারে-হেলদোলেবিদেশের ছায়া।
No comments:
Post a Comment